Logo
এয়ারলাইন্স এয়ারপোর্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স পর্যটন হোটেল প্রবাস লাইফস্টাইল কর্পোরেট রেগুলেটরস মুখোমুখি

Aviation Express

ক্রিসমাস স্পেশাল

বিমান ও পাইলটদের নিয়ে তৈরি সেরা ৫ চলচ্চিত্র

ডেস্ক রিপোর্ট | Published: Wednesday, December 17, 2025
বিমান ও পাইলটদের নিয়ে তৈরি সেরা ৫ চলচ্চিত্র

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিসমাস মানেই ছুটি, আর ছুটির সময় এভিয়েশনপ্রেমীদের (অ্যাভজিকস) জন্য বিমান ও বিমানবন্দরকেন্দ্রিক সিনেমা দেখার আনন্দ যেন আরও বাড়িয়ে দেয় উৎসবের আমেজ। আকাশপথের রোমাঞ্চ, নিরাপত্তা সংকট, ঐতিহাসিক যুদ্ধ কিংবা আধুনিক থ্রিলার—সব মিলিয়ে ক্রিসমাসে দেখার মতো কিছু অসাধারণ এভিয়েশনভিত্তিক চলচ্চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো।


ডাই হার্ড ২ (১৯৯০)

ক্রিসমাস ইভে তুষারঝরা রাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন ডিটেকটিভ জন ম্যাকলেন। সন্ত্রাসীরা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) দখল করে এক স্বৈরশাসককে মুক্ত করার চেষ্টা করে এবং ইন্সট্রুমেন্ট ল্যান্ডিং সিস্টেম (আইএলএস) বিকল করে একটি যাত্রীবাহী বিমানের দুর্ঘটনা ঘটায়।
চূড়ান্ত দৃশ্যে ম্যাকলেন একটি বোয়িং ৭৪৭ বিমানের জ্বালানি ভালভ খুলে সিগারেটের আগুন দিয়ে জ্বালানি ট্রেইল জ্বালিয়ে দেন, যা আকাশে থাকা বিমানগুলোর জন্য দিকনির্দেশক আলোকসংকেত হিসেবে কাজ করে। শেষ পর্যন্ত তার স্ত্রীর বিমান নিরাপদে অবতরণ করলে সিনেমাটি পায় আবেগঘন সমাপ্তি।


তোরা! তোরা! তোরা! (১৯৭০)

এই ক্লাসিক ডকুড্রামাটি ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর হাওয়াইয়ের পার্ল হারবারে ইম্পেরিয়াল জাপানি বাহিনীর ঐতিহাসিক বিমান হামলার ঘটনা তুলে ধরে। সিনেমাটি ঐতিহাসিক নির্ভুলতা ও নিরপেক্ষ উপস্থাপনার জন্য বিশেষভাবে প্রশংসিত।
জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রে দুই পক্ষের আলাদা পরিচালক ও অভিনেতারা কাজ করেছেন। কূটনৈতিক ব্যর্থতা, কৌশলগত ভুল এবং মার্কিন বাহিনীর অবিশ্বাসের পটভূমিতে পরিচালিত এই সিনেমার শেষ অংশে বাস্তবধর্মী আকাশযুদ্ধের দৃশ্য দর্শককে মুগ্ধ করে।


ক্যারি অন (২০২৪)

নেটফ্লিক্সের এই আধুনিক অ্যাকশন থ্রিলারকে অনেক সমালোচক ‘ডাই হার্ড ২’-এর আধুনিক রূপ বলে মনে করেন। লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এলএএক্স) ক্রিসমাস ইভে দায়িত্ব পালনরত টিএসএ কর্মকর্তা ইথান কোপেক এক অজ্ঞাত সন্ত্রাসীর ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন।


একটি ইয়ারপিসের মাধ্যমে ‘দ্য ট্রাভেলার’ নামের এক ব্যক্তি তাকে চাপ দিয়ে নিরাপত্তা স্ক্যান এড়িয়ে একটি ক্যারি-অন ব্যাগ পার করতে বাধ্য করে, যার ভেতরে রয়েছে ভয়ংকর নার্ভ এজেন্ট। পরে জানা যায়, এই হামলার দায় রাশিয়ার ওপর চাপানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ইথান বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সন্ত্রাসীকে নিজের বিষেই আটকে দিয়ে পরাজিত করে। এক বছর পর এলএপিডির ব্যাজ পরা ইথানের মাধ্যমে সিনেমাটির পরিসমাপ্তি ঘটে।

Make Comment

Login to Comment
Leaving AviationExpress Your about to visit the following url Invalid URL

Loading...
Comments


Comment created.

Related News