তৃতীয় টার্মিনাল চালুর বিষয়ে বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করলেন জাপানের রাষ্ট্রদূত
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Wednesday, February 25, 2026
ছবি: সংগৃহীত
ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার সাথে সাক্ষাৎ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (ঢাকা এয়ারপোর্ট) তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালু করার বিষয়ে আলোচনা করেন।
সোমবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে এভিয়েশন খাতে চলমান সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোচিত হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। আলোচনায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতও উপস্থিত ছিলেন।
২১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পটি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার এক বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রায় অচল অবস্থায় আছে এই টার্মিনাল।
গত বছরের নভেম্বরে পরিচালনা ও আয় বণ্টন সংক্রান্ত বিষয়ে মতবিরোধের কারণে বাংলাদেশ-জাপান আলোচনাও থেমে যায়। এতে করে বিমানবন্দরের চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে নির্মিত এই স্থাপনাটি চূড়ান্ত পর্যায়ে চালু করা সম্ভব হয়নি।
চলতি মাসের ২২ তারিখ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে টার্মিনালটি দ্রুত চালুর করার নির্দেশ দেন। যাত্রী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকারিতা উন্নয়নের লক্ষ্যেই এ নির্দেশনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা নতুন করে আলোচনা শুরু করতে সহায়ক হবে এবং পূর্ণাঙ্গ পরিচালনার শর্তাবলি চূড়ান্ত করাও সম্ভব হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন কর্মকর্তারা। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে ঢাকা বিমানবন্দরের ভিড় কমানোর পাশাপাশি যাত্রী ও কার্গো পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোও সম্ভব হবে বলে জানা গেছে।
একারণে এভিয়েশন খাতে বাংলাদেশ-জাপান সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলেও মনে করেন কর্মকর্তারা। উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও টার্মিনালটি এতদিন ধরে পূর্ণ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি।
এখন জাপানি অংশীদারদের সঙ্গে বকেয়ার বিষয়গুলো সমাধানে সরকার নতুন উদ্যোগ নেবে বলে আশা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) দ্রুত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কাজ করছে।