Logo
এয়ারলাইন্স এয়ারপোর্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স পর্যটন হোটেল প্রবাস লাইফস্টাইল কর্পোরেট রেগুলেটরস মুখোমুখি

Aviation Express

ব্যবসায়ীদের ভ্রমণে বিধিনিষেধ শিথিল করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের অনুরোধ

ডেস্ক রিপোর্ট | Published: Friday, January 09, 2026
ব্যবসায়ীদের ভ্রমণে বিধিনিষেধ শিথিল করতে যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের অনুরোধ

কোলাজ: এভিয়েশন এক্সপ্রেস।

ভিসা বন্ডে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা দেওয়ার নতুন শর্ত থেকে অব্যাহতি চায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে আমদানি বৃদ্ধি ও শ্রম সংস্কারের অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ব্যবসায়ীদের ভ্রমণের বিধিনিষেধ শিথিল করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা।

ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশকে ভিসা বন্ড নীতির আওতায় আনার পর এই অনুরোধ জানানো হয়। নীতি অনুযায়ী বি-১ টাইপের ভিসা আবেদনকারীদের প্রায় ৬ লাখ ১২ হাজার টাকা থেকে ১৮ লাখ ৪০ হাজার টাকার (৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলারের সমান) বন্ড হিসেবে জমা দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি তোলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জারি করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক ভিসা বন্ড সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করতে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারকে তার সদিচ্ছা প্রয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া সহকারী মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেন খলিলুর রহমান।

বুধবার শুরু হওয়া পাঁচ দিনের সফরে তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশনের অর্থায়ন পাওয়ার বিষয়টিও উত্থাপন করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ভিসা বন্ডের শর্তকে দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন। তবে তিনি বলেন, অভিবাসনসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ থাকা ৩৮টি দেশ এই ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে। সে কারণে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তিকে অস্বাভাবিক বলা যাবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর মঙ্গলবার ভিসা বন্ড তালিকা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়। এতে বাংলাদেশসহ ২৫টি দেশ যুক্ত হয়। সীমিত ব্যতিক্রম ছাড়া আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এই নতুন মার্কিন ভিসা নীতির শর্তগুলো কার্যকর হবে। এর আগে গত বছরের আগস্টে প্রথম দফায় ছয়টি দেশকে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে আরও সাতটি দেশ যোগ করা হয়।

তৌহিদ হোসেন বলেন, অনিয়মিত অভিবাসন দীর্ঘদিন ধরে চলমান একটি নীতিগত সমস্যা। অন্তর্বর্তী সরকার শুরু থেকেই অনিয়মিত অভিবাসনের বিরোধিতা করে আসছে এবং এটিই একমাত্র টেকসই সমাধান।

তিনি আরও বলেন, ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে মানুষের মৃত্যুর খবর বা উদ্ধার হওয়ার ঘটনা এখনও সামনে আসছে। তারা সহানুভূতির দাবিদার হলেও একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

Make Comment

Login to Comment
Leaving AviationExpress Your about to visit the following url Invalid URL

Loading...
Comments


Comment created.

Related News