গ্রিসের ক্রিট উপকূলে প্রায় ৪০০ অভিবাসী উদ্ধার
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Saturday, December 27, 2025
ছবি : সংগৃহীত
গ্রিসের কোস্টগার্ড শুক্রবার দক্ষিণ ক্রিট উপকূলের কাছে দুটি নৌযান থেকে প্রায় ৪০০ জন অবৈধ অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।
বৃহৎ এই উদ্ধার অভিযানে ক্রিটের কাছে ছোট দ্বীপ গাভদোস থেকে প্রায় ৩৫ নটিক্যাল মাইল দূরে একটি মাছধরা নৌকা থেকে ৩৬৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে কোস্টগার্ডের জাহাজ, একটি ড্যানিশ কার্গো জাহাজ এবং একটি হেলিকপ্টার অংশ নেয়।
এর আগে একই দিনে গাভদোস থেকে প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল দূরে প্রায় ৩০ জন অভিবাসীকে ফ্রন্টেক্সের (ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা) একটি নৌকায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ক্রিটে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে বৃহস্পতিবার ক্রিটের দক্ষিণে একটি রাবারের নৌকায় থাকা ৩৯ জন অভিবাসীকেও উদ্ধার করা হয় বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করে।
তুরস্ক ও গ্রিসের মধ্যকার সমুদ্রপথ এবং লিবিয়া থেকে গ্রিসগামী পথগুলো ইউরোপে পৌঁছাতে চাওয়া অবৈধ অভিবাসীদের কাছে এখনও জনপ্রিয়। তবে এসব যাত্রায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে থাকে।
চলতি মাসের শুরুতে একটি অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিলেন মিসর ও সুদানের নাগরিক। ঐ ঘটনায় এখনো ১৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার যুদ্ধ ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে আসা অভিবাসীদের জন্য এজিয়ান সাগরের গ্রিক দ্বীপগুলো এখন ইউরোপে প্রবেশের প্রধান পথ হয়ে উঠেছে। প্রতি বছর হাজারো মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় নামায় ভূমধ্যসাগরে কোস্টগার্ডের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
ইউরোপীয় সীমান্ত ও কোস্টগার্ড সংস্থা ফ্রন্টেক্স নিয়মিতভাবে গ্রিক কর্তৃপক্ষকে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে এবং ভূমধ্যসাগরজুড়ে টহল সমন্বয় করে।
অভিবাসন সংকট এখনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে, বিশেষ করে গ্রিস ও ইতালির জন্য। তুরস্ক, লিবিয়া ও উত্তর আফ্রিকার নিকটবর্তী হওয়ায় এসব দেশে অভিবাসীর চাপ সবচেয়ে বেশি।
সূত্র: এএফপি / এএনএ