৬-৯ মাসের মধ্যে চালু হতে পারে তৃতীয় টার্মিনাল: মিল্লাত
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Wednesday, March 11, 2026
কোলাজ: এভিয়েশন এক্সপ্রেস
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হতে আরও ৬ থেকে ৯ মাস সময় লাগতে পারে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “আমরা প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। তবে আমাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী টার্মিনালটির কার্যক্রম শুরু করতে ছয় থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে। আগামী নয় মাসের মধ্যে এটি চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর টার্মিনালটির উদ্বোধন দ্রুত করার জন্য সরকারের কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে?’ সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মিল্লাত বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কার্যক্রম শুরু করতে এখনো ছয় থেকে নয় মাস সময় লাগতে পারে।
এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আজ এভিয়েশন এক্সপ্রেসকে জানান, টার্মিনালটি পুরোপুরি চালুর পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে ১৩ মার্চ নতুন করে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না হওয়ায় তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পে বিলম্ব হয়েছে। এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন, সোযিৎস করপোরেশন এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট করপোরেশন।
ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি সরকার চুক্তি ও কারিগরি জটিলতা দূর করে টার্মিনালটি দ্রুত চালুর চেষ্টা করেছে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নতুন টার্মিনাল দ্রুত চালু করার নির্দেশ দেন। চুক্তিগত ও কারিগরি প্রতিবন্ধকতা দূর করারও তাগিদ দেন তিনি।
বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাও বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকল্পটি বিলম্বিত হয়েছিল। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে টার্মিনালটি চালুর ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে করে আঞ্চলিক বিমান চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে এই দেশ।