Logo
এয়ারলাইন্স এয়ারপোর্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স পর্যটন হোটেল প্রবাস লাইফস্টাইল কর্পোরেট রেগুলেটরস মুখোমুখি

Aviation Express

সম্পর্ক জোরদার করতে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ জানালো চীন

ডেস্ক রিপোর্ট | Published: Wednesday, March 11, 2026
সম্পর্ক জোরদার করতে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ জানালো চীন

ছবি: সংগৃহীত

চীন বাংলাদেশের সাথে আকাশ সংযোগ, পর্যটন সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের জন্য বেইজিং ও গুয়াংঝু রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।


মঙ্গলবার চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান এবং পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই প্রস্তাব দেন।


বর্তমানে বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে প্রায় ১২টি সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালিত হয়। চীনা পক্ষ আরও তিনটি ফ্লাইট যোগ করার প্রস্তাব দিয়েছে, যার মধ্যে দুইটি যাবে গুয়াংঝুতে এবং একটি যাবে বেইজিংয়ে।


সাক্ষাৎকারের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত জানান, চীনা কর্তৃপক্ষ ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছে এবং বাংলাদেশ তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করতে বলেছে।


তিনি বলেন, “আমরা আবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখবো। এতে করে দুই দেশের সংযোগ বাড়বে এবং পর্যটন ও বিনিয়োগ সহযোগিতাও জোরদার হবে।”


নতুন ফ্লাইট চালু করার জন্য চীনকে লিখিত আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পাশাপাশি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করাতে হবে এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) থেকে অনুমোদন নিতে হবে।


ইয়াও বাংলাদেশের পর্যটন উন্নয়নের প্রতি চীনের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে উন্নয়নের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উভয় পক্ষই পর্যটন ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের অধীনে যৌথ উদ্যোগ অনুসন্ধানের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।


আলোচনায় উঠে আসে যে চীন পূর্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে পর্যটন খাতে সহযোগিতা বিষয়ক একটি চুক্তি স্বাক্ষর করলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে চীনা বিনিয়োগকারীরা কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা যাচাই করতে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (feasibility study) পরিচালনার আগ্রহ দেখিয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, “তারা সেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলেন। আগে চীন পিপিপি মডেলের অধীনে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু কোনো প্রকল্পই এগোয়নি। বাংলাদেশ চীনা পক্ষকে কক্সবাজার পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণের বিস্তারিত প্রস্তাব জমা দিতে বলেছে।”


তিনি আরও বলেন, “আমরা তাদের বলেছি, প্রস্তাব জমা দিন। আমরা এটি সতর্কভাবে পরীক্ষা করবো। যদি এটি বাংলাদেশের জন্য লাভজনক হয়, তবেই আমরা এটি বিবেচনা করব।”

Make Comment

Login to Comment
Leaving AviationExpress Your about to visit the following url Invalid URL

Loading...
Comments


Comment created.

Related News