দাম্মাম হয়ে কুয়েত-ঢাকা ট্রানজিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে জাজিরা এয়ারওয়েজ
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Wednesday, April 01, 2026
ফাইল ছবি
কুয়েত এয়ারপোর্ট বন্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে দাম্মাম হয়ে কুয়েত-ঢাকা যাত্রীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ট্রানজিট ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবে জাজিরা এয়ারওয়েজ। এর ফলে প্রবাসী কর্মীদের যাত্রা প্রক্রিয়া সহজ হবে।
১২ এপ্রিল থেকে চালু হওয়া এই সেবায় সৌদি আরবের ট্রানজিট ভিসা, সড়ক পরিবহন এবং সংযোগ ফ্লাইট সহ সবকিছুর ব্যবস্থা করবে এই এয়ারলাইন। তাই যাত্রীদেরন এগুলো আলাদা করে সামলাতে হবে না।
কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন গণমাধ্যমে জানান, জাজিরা এয়ারওয়েজ পুরো ট্রানজিট ব্যবস্থাপনা তত্ত্বাবধান করবে।
তিনি বলেন, “জাজিরা এয়ারওয়েজ সৌদি আরবের ট্রানজিট ভিসা এবং বাসের ব্যবস্থাও করবে। এতে প্রবাসীদের ভোগান্তি অনেক কমবে।”
এই ফ্লাইট সপ্তাহে তিন দিন, রবিবার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার, দাম্মাম হয়ে ঢাকা ও কুয়েতের মধ্যে চলাচল করবে। ট্রানজিট ভিসার খরচ টিকিটের সঙ্গেই অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অনলাইন বা ট্রাভেল এজেন্টের মাধ্যমে টিকিট কেনা যাবে।
যাত্রীদের কুয়েতের মুশরেফ ট্রেড ফেয়ার গ্রাউন্ডের হল নম্বর ৮-এ চেক-ইন করতে হবে। এরপর এয়ারলাইনের ব্যবস্থাপনায় বাসে করে দাম্মাম গিয়ে সেখান থেকে ঢাকার ফ্লাইটে উঠতে হবে। ফেরার ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কুয়েত এয়ারপোর্ট আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর আগে সৌদি আরব হয়ে সীমিত ফ্লাইট চলাচল করায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছিল।
বৈধ ইকামাধারীদের জন্য সৌদি ট্রানজিট ভিসা বাধ্যতামূলক। যা ঐ এয়ারলাইন সহজে পাইয়ে দিবে। ভিজিট ভিসাধারীদের ভ্রমণের আগে ট্রানজিট নিয়ম যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসীরা এই সমন্বিত ব্যবস্থাপনাকে স্বাগত জানালেও ভাড়া কমানোর দাবি তুলেছেন। এক কর্মী বলেন, “কম বেতনের কর্মীদের জন্য বেশি ভাড়া বহন করা কঠিন। আমরা আশা করি দূতাবাস ও সরকার ভাড়া কমাতে উদ্যোগ নেবে।”
দূতাবাস আরও ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সমন্বিত ট্রানজিট ব্যবস্থা চালু হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক থাকবে এবং বাজার সরবরাহ ব্যবস্থাও সচল থাকবে।