মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ, ঢাকায় ১৭৩ ফ্লাইট বাতিল
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Wednesday, March 04, 2026
ফাইল ছবি
আঞ্চলিক নিরাপত্তা শঙ্কায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের ৭টি দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা দেয়। ঐ কারণে ৫ দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ঢাকা বিমানবন্দর) থেকে ১৭৩টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান একযোগে আকাশসীমা বন্ধ করায় ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়। এতে ঢাকা-মধ্যপ্রাচ্য রুটে পরিচালিত প্রধান এয়ারলাইন্সগুলোর কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হলে পরিস্থিতি আরও বদলে যায়। পরবর্তী দিনগুলোতে বিকল্প রুট খুঁজে পেতে ব্যর্থ হওয়ায় অনেক এয়ারলাইন আরও বেশি সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করে।
১ মার্চ ঢাকার বিমানবন্দর থেকে ৪০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
স্থানীয় সময় ৪ মার্চ মধ্যরাত থেকে আরও ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। কাতার এয়ারওয়েজ ৪টি, কুয়েত এয়ারওয়েজ ২টি এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ ২টি ফ্লাইট স্থগিত করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক এয়ার এরাবিয়া ৮টি ফ্লাইট বাতিল করে। এ যাবত অন্যান্য এয়ারলাইনগুলোর তুলনায় এয়ার এরাবিয়াই সবেচেয়ে বেশি সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করে। দুবাইভিত্তিক এমিরেট্স এয়ারলাইন্স ৫টি ফ্লাইট বাতিল করে।
এদিকে বাংলাদেশের ইউ-এস বাংলা এয়ারলাইন্স বাতিল করেছে ৪টি ফ্লাইট।
আকাশসীমা বন্ধের ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় এয়ারলাইন্সগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও পর্যটকরা। মধ্যপ্রাচ্যের রুটগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও অন্যান্য গন্তব্যে ভ্রমণকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
ভ্রমণের ব্যস্ত মৌসুমে হাজারো এদেশের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই বিমানবন্দরে আটকা পড়েন। কেউ কেউ ভ্রমণ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনার বা টিকিটের অর্থ ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেন।
এয়ারলাইনগুলো এখনো স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনা কবে থেকে শুরু করবে সে বিষয়ে জানায়নি।