২০৩০-এর আগেই এয়ারবাস পেতে চায় বাংলাদেশ: মন্ত্রী
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
| Published: Wednesday, October 07, 2026
ছবি: মন্ত্রণালয়
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি আজ (বুধবার) সই হতে যাচ্ছে। এর আগে ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের ডেলিভারি শুরুর ওপর জোর দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজের নেতৃত্বে জার্মান এয়ারলাইন্স লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিমানের জন্য ১০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি সইয়ের কাজ চলছে। তবে এয়ারবাস হাতে পাওয়ার সময় এগিয়ে আনা জরুরি।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আকাশপথে যোগাযোগ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
দেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার, জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর অনেক সুযোগ আছে।
লুফথানসাকে বিশ্বখ্যাত এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশে উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কেন্দ্র (এমআরও) গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দেশেই দক্ষ জনবল তৈরিতেও লুফথানসা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে পারে।
মন্ত্রী জানান, ২০১৭ সাল থেকে কার্গোর ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেওয়া হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল (এইচআরসিএম) স্ট্যাটাস বহাল আছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সব পর্যবেক্ষণের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি রেটিং পেয়েছে। তাই এইচআরসিএম তুলে নিতে জার্মানির সহযোগিতা চায় সরকার।
বৈঠকে দুই পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করা, আকাশপথে যোগাযোগ বাড়ানো এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে।