Logo
এয়ারলাইন্স এয়ারপোর্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স পর্যটন হোটেল প্রবাস লাইফস্টাইল কর্পোরেট রেগুলেটরস মুখোমুখি

Aviation Express

বিদেশি এয়ারলাইন্সের টিকিটে কার্ড পেমেন্টের সুযোগ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্ট | Published: Tuesday, September 29, 2026
বিদেশি এয়ারলাইন্সের টিকিটে কার্ড পেমেন্টের সুযোগ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক


বাংলাদেশে পরিচালিত বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো এখন থেকে এয়ার টিকিটের বিপরীতে আন্তর্জাতিক কার্ডে পেমেন্ট নিতে পারবে। এসব টিকিটের অর্থ বাংলাদেশের বাইরে আন্তর্জাতিক অ্যাকোয়ারিং ও পেমেন্ট সেটেলমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। বিদেশি এয়ারলাইন্সের টিকিট কেনায় আন্তর্জাতিক কার্ডে অর্থ পরিশোধের সুযোগ এভাবেই বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক।


কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ (এফইপিডি-১) আজ জারি করা ৩৯ নম্বর সার্কুলারের মাধ্যমে এ সুবিধা চালু করেছে। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর জারি করা ৪৭ নম্বর এফইপিডি সার্কুলারের আওতা বাড়িয়ে এটি করা হয়েছে।


সুবিধাটি শুধু বিদেশি এয়ারলাইন্সের জন্য প্রযোজ্য। বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সগুলো বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিদ্যমান স্থানীয় সেটেলমেন্ট ও দেশীয় অ্যাকোয়ারিং ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।


সুবিধাটি যেসব এয়ারলাইন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, সেগুলো হলো: এয়ার ইন্ডিয়া, ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজ, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স, এমিরেটস, ফ্লাইদুবাই, গালফ এয়ার, কুয়েত এয়ারওয়েজ, মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্স, ওমান এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, সৌদি আরাবিয়ান এয়ারলাইন্স (সাউদিয়া), সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স, শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্স, থাই এয়ারওয়েজ ইন্টারন্যাশনাল, টার্কিশ এয়ারলাইন্স ও এয়ার অ্যারাবিয়া।


সার্কুলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান হলো, এ সুবিধায় কেনা টিকিটের মূল্য ব্যক্তির বার্ষিক ভ্রমণসীমার বাইরে গণ্য হবে। অর্থাৎ এসব টিকিট কেনার অর্থ যাত্রীর প্রচলিত বার্ষিক ভ্রমণ কোটার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে না।


এসব লেনদেনের ক্ষেত্রে টিকিট কেনার পর কার্ড রিপ্লেনিশমেন্টের নিয়মও ঠিক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো কার্ডের স্টেটমেন্টের সঙ্গে টিকিট কেনার বিষয়টি যাচাই করবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোডের (এমসিসি) আওতায় লেনদেন হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে। এরপরই কেবল আন্তর্জাতিক কার্ডের সমপরিমাণ অর্থ পুনরায় সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া যাবে।


সার্কুলার অনুযায়ী, এ ব্যবস্থার অধীনে টিকিট ক্রয়ের সব তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রানজেকশন মনিটরিং (টিএম) মডিউলের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে রিপোর্ট করতে হবে।


২০২৫ সালের ৪৭ নম্বর সার্কুলারের যেসব বিধান বিশেষভাবে সংশোধন করা হয়নি, সেগুলো আগের মতোই কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে নথিপত্র, যাচাইকরণ ও নিয়মানুগ বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।


এ ছাড়া অফশোর সেটেলমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে টিকিটের অর্থ গ্রহণকারী বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোকে সেই আয় নিজ দেশে রেমিট্যান্স হিসেবে পাঠানোর হিসাব নির্ধারণের সময় সমন্বয় করতে হবে। অর্থাৎ যে অর্থ দেশের বাইরেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে, তা তারা নিয়মিত মুনাফা হিসেবে আবার পাঠাতে পারবে না।


এই সমন্বয় করতে হবে ২০২৬ সালের ৭ মে জারি করা এফইপিডি-১ সার্কুলার নম্বর ০৮-এর পার্ট-বি অনুযায়ী নিরীক্ষা-সংক্রান্ত শর্ত মেনে।


এডি ব্যাংকগুলোকে গ্রাহক ও কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের নতুন এই ব্যবস্থার বিষয়ে জানানো এবং প্রযোজ্য বৈদেশিক মুদ্রা নীতিমালা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

Make Comment

Login to Comment
Leaving AviationExpress Your about to visit the following url Invalid URL

Loading...
Comments


Comment created.

Related News