বিমানকে আবারও গর্বের প্রতীকে পরিণত করতে চাই: আফরোজা
ছবি: ওহিদুজ্জামান টিটু
দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা দেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উচ্চাভিলাষী সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। বাংলাদেশ বিমানের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, বোয়িং ও এয়ারবাসের নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করে বহর সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষিত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতিসহ দেশের বিমান পরিবহন খাতকে নতুনভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
একই সঙ্গে বৈশ্বিক ব্র্যান্ডিং, সহজতর ভিসা ব্যবস্থা, ডিজিটাল সেবা, বহুমুখী পর্যটন পণ্য এবং বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার বৃহত্তর পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করছে মন্ত্রণালয়।
এভিয়েশন এক্সপ্রেসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বিমানের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার, বিমানবন্দর সেবার মানোন্নয়ন, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবে পরিণত করা এবং দেশের অপার পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তারেক আলিফ।
বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন খাত নিয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য কী?
আমাদের লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়াকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সংযুক্তকারী একটি আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে আমরা একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংযোগ সম্প্রসারণ, বিমানবন্দরের অবকাঠামো আধুনিকায়ন, দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে কাজ করছি।
এই রূপান্তরে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে। সরকারের রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বিমান আরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে এবং দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, আমরা ২০২৬ সালের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে কাজ করছি। আধুনিক আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এই টার্মিনাল অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
আপনি বারবার বিমানকে জাতীয় মর্যাদার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কেন?
কারণ বিমান যেখানে উড়ে, সেখানেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বছরের পর বছর রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্বল সুশাসন এবং জবাবদিহির অভাব সংস্থাটির সুনাম ও কার্যক্রম—উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তাই জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে শুধু নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত করলেই হবে না।
আমাদের সংস্কার কৌশল তিনটি মূল ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
প্রথমত, মেধাভিত্তিক নিয়োগ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
দ্বিতীয়ত, রুটের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা মূল্যায়ন, সম্ভাবনাময় নতুন গন্তব্য অনুসন্ধান এবং লাভজনক রুটগুলোকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাণিজ্যিক পুনর্গঠন।
তৃতীয়ত, ডিজিটালাইজেশন, সময়নিষ্ঠতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সেবার রূপান্তর।
আমরা বিমানকে এমন একটি এয়ারলাইন্সে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, যা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষ আবারও গর্ব করতে পারবেন।
বহর সম্প্রসারণ কি এই কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ?
অবশ্যই। সরকার ২৪টি নতুন উড়োজাহাজ—১৪টি বোয়িং ও ১০টি এয়ারবাস—সংযোজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার মাধ্যমে একটি আধুনিক মিশ্র বহর গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক পরিচালনাগত চাহিদা পূরণে পাঁচটি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
এটি শুধু উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয় নয়। আধুনিক উড়োজাহাজ জ্বালানি সাশ্রয়ী, বেশি নির্ভরযোগ্য, যাত্রীদের জন্য অধিক আরামদায়ক এবং পরিচালনায় আরও বেশি নমনীয়তা নিশ্চিত করে।
বিমানবন্দরের সেবার মান উন্নয়নে কী ধরনের সংস্কার আনা হয়েছে?
দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইতোমধ্যে একটি সমন্বিত আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) চালু করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়মিত মাঠপর্যায়ের তদারকির মাধ্যমে এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে।
লাগেজ নিরাপত্তা জোরদারে নজরদারি দল মোতায়েন, বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা চালু, সিসিটিভি কভারেজ সম্প্রসারণ এবং ব্যাগেজ রিকনসিলিয়েশন সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।
এসব পদক্ষেপের ফলে লাগেজ নিরাপত্তা আরও জোরদার হয়েছে এবং ব্যাগেজ সরবরাহের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
এছাড়া আধুনিক গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম, আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, অতিরিক্ত জনবল এবং প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রীদের জন্য দ্রুত, নিরাপদ ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস, এয়ারলাইন্স এবং বিমানবন্দরের অন্যান্য সংস্থার মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।
বিমান খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে?
সুশাসনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।
সরকারি ক্রয় কার্যক্রম এখন ই-জিপি (e-GP) ব্যবস্থার আওতায় উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক ই-টেন্ডারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আর্থিক নিরীক্ষা, প্রকল্প তদারকি, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং কর্মসম্পাদনভিত্তিক মূল্যায়ন আরও জোরদার করা হয়েছে।
আমাদের লক্ষ্য হলো সততা, পেশাদারিত্ব, মেধা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে একটি দক্ষ, আধুনিক ও সুশাসনভিত্তিক বেসামরিক বিমান পরিবহন খাত গড়ে তোলা।
দীর্ঘ-পাল্লার আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণে এয়ারলাইন্সগুলো কি সরকারের সহায়তা পাবে?
অবশ্যই। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক এবং পরিচালনাগতভাবে টেকসই হলে বাংলাদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখি।
প্রস্তাবিত প্রতিটি গন্তব্য যাত্রী চাহিদা, বাজার সম্ভাবনা, দ্বিপক্ষীয় বিমান পরিবহন চুক্তি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং পরিচালনাগত সক্ষমতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়।
বর্তমানে বাহরাইন, মালে, জাকার্তা, সিউল, সিডনি, কুনমিং এবং নিউইয়র্কসহ কয়েকটি গন্তব্য বিবেচনায় রয়েছে।
হজযাত্রা আরও সাশ্রয়ী করতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?
হজকে সাশ্রয়ী রাখা আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের বিমানভাড়া ১২ হাজার টাকা কমানো হয়েছিল। আর ২০২৭ সালের হজের জন্য বিমানভাড়া আরও ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো হয়েছে, ফলে হজের সামগ্রিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
আমরা এ খাতে আরও প্রতিযোগিতাকেও স্বাগত জানাই। সৌদি আরবের নীতিমালা, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও নিরাপত্তা মানদণ্ড পূরণ করতে পারলে যে কোনো যোগ্য এয়ারলাইন্স হজ ফ্লাইট পরিচালনায় অংশ নিতে পারবে।
বাংলাদেশকে কীভাবে বৈশ্বিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে?
আমাদের কৌশল তিনটি মূল অগ্রাধিকারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে—বৈশ্বিক ব্র্যান্ডিং, সহজতর ভ্রমণ এবং উন্নত পর্যটন অভিজ্ঞতা।
আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা, ডেস্টিনেশন মার্কেটিং, ডিজিটাল প্রচারণা, প্রামাণ্যচিত্র এবং বৈশ্বিক কনটেন্ট নির্মাতাদের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে বিশ্বে তুলে ধরছি।
পর্যটন মানচিত্র, হ্যান্ডবুক, ইভেন্ট ক্যালেন্ডার ও ব্র্যান্ড বুকের মতো প্রচলিত প্রচারণা উপকরণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও এবং ডিজিটাল স্টোরিটেলিংয়ের ওপরও আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি, যাতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বৈচিত্র্য বিশ্ববাসীর কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা যায়।
একই সঙ্গে আমরা ভিসা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করছি। ভিসা নীতি-২০২৬-এর আওতায় ধাপে ধাপে ই-ভিসা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মেডিকেল ট্যুরিজম ভিসা, মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট ভিসা এবং ধর্মীয় পর্যটক ভিসা চালুর প্রস্তাবও করা হয়েছে।
এ ছাড়া পর্যটন অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নয়নেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও স্মরণীয় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন।
পর্যটন খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নীতিগত সংস্কার, কর-প্রণোদনা, সহজ অর্থায়ন এবং ওয়ান-স্টপ সেবার মাধ্যমে সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছে।
আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়নে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আমাদের অন্যতম প্রধান কৌশল।
এরই মধ্যে কয়েকটি প্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে কক্সবাজারের হোটেল শৈবাল কম্পাউন্ডে আধুনিক পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলার কাজ উল্লেখযোগ্য।
এ ছাড়া সিলেট বিমানবন্দরের কাছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সম্পত্তিকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর সঙ্গে আমরা কাজ করছি। এ প্রকল্পের চাহিদা মূল্যায়ন ও বিপণন সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ইতোমধ্যে ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) সম্পন্ন করেছে।
পর্যটনের কোন কোন খাতকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন?
শুধু অবকাশযাপনভিত্তিক পর্যটনের বাইরে বাংলাদেশের সম্ভাবনা অনেক বিস্তৃত।
মেডিকেল ও ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি আমরা পরিবেশভিত্তিক (ইকো), কমিউনিটিভিত্তিক, ক্রীড়া, নৌ, রন্ধনশৈলী (কুলিনারি) এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।
প্রতিটি খাতই ভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আমাদের লক্ষ্য কয়েকটি নির্দিষ্ট গন্তব্যের ওপর নির্ভর না করে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে বহুমুখী করা।
সবশেষে, আগামী বছরে মানুষ কী ধরনের পরিবর্তন দেখতে পাবে?
আমি বিশ্বাস করি, আগামী বছর মানুষ বিমান পরিবহন ও পর্যটন—উভয় খাতেই দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে পাবে।
বিমান পরিবহন খাতে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত হবে, ডিজিটাল সুবিধা সম্প্রসারিত হবে, বিমানবন্দরের কার্যক্রমে আরও অগ্রগতি আসবে এবং তৃতীয় টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতিতে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।
পর্যটন খাতে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং আরও জোরদার হবে, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হবে, নতুন নতুন পর্যটন পণ্য যুক্ত হবে, অবকাঠামো ও সেবার মান উন্নত হবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে।
সবশেষে, আমাদের লক্ষ্য খুবই স্পষ্ট—দ্রুত, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য এবং একটি মর্যাদাপূর্ণ আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
আর আমাদের জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সেই যাত্রার কেন্দ্রবিন্দুতেই থাকবে।