এয়ারএশিয়ার ১৫০টি এয়ারবাস কেনার চুক্তি, এ২২০ মডেলের রেকর্ড অর্ডার
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Thursday, May 07, 2026
ছবি: এয়ারবাস
মালয়েশিয়ার তুলনামূলক কম ভাড়ার বিমান সংস্থা এয়ারএশিয়া ১৫০টি এয়ারবাস এ২২০-৩০০ কেনার চুক্তি করেছে। এটি এই মডেলের ইতিহাসে এক সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া সবচেয়ে বড় একক নিশ্চিত অর্ডার।
ইউরোপীয় বিমান নির্মাতা এয়ারবাস বুধবার জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে এ২২০ কার্যক্রমের মোট নিশ্চিত অর্ডার এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
কানাডার মিরাবেলে এয়ারবাসের কারখানায় আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্যাপিটাল এ-এর প্রধান নির্বাহী ও এয়ারএশিয়া গ্রুপের উপদেষ্টা টনি ফার্নান্দেজ এবং এয়ারবাসের প্রধান নির্বাহী লার্স ওয়াগনার। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও কুইবেকের প্রিমিয়ার ক্রিস্টিন ফ্রেশেটও অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এই চুক্তির মাধ্যমে এয়ারএশিয়া এ২২০ কার্যক্রমের নতুন গ্রাহক হওয়ার পাশাপাশি ১৬০ আসনবিশিষ্ট নতুন কেবিন কনফিগারেশনের প্রথম পরিচালক হিসেবেও যুক্ত হলো। এয়ারবাস জানিয়েছে, বিমানের দুই পাশে অতিরিক্ত জরুরি নির্গমন পথ যোগ করার মাধ্যমে এই বাড়তি আসন সংযোজন সম্ভব হয়েছে।
এয়ারএশিয়া জানিয়েছে, এই বিমানগুলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্য এশিয়ায় সংস্থার সম্প্রসারণ পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হবে এবং একই সঙ্গে বহরের বড় বিমানগুলোকে দূরপাল্লার রুটে মোতায়েন করার সুযোগ তৈরি হবে।
টনি ফার্নান্দেজ বলেন, সহজ মুহূর্তে নয়, সঠিক মুহূর্তে সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েই এয়ারএশিয়া গড়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, এই বিমানগুলো গ্রুপকে "বিশ্বের প্রথম প্রকৃত স্বল্পব্যয়ী নেটওয়ার্ক ক্যারিয়ার" গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। এয়ারবাস প্রধান ওয়াগনার বলেন, এ২২০ এয়ারএশিয়াকে কম পরিচালন ব্যয়ে এশিয়া ও তার বাইরে নতুন রুট চালুর সুযোগ দেবে।
মূলত কানাডার বোম্বার্ডিয়ারের তৈরি এই বিমানটি পরবর্তীতে এয়ারবাস অধিগ্রহণ করে। ১০০ থেকে ১৬০ আসনের রুটের জন্য উপযুক্ত এই মডেলটি একই শ্রেণির পুরনো বিমানের তুলনায় জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দীর্ঘ পাল্লার। ২০২৬ সালের মার্চ শেষ পর্যন্ত বিশ্বের ২৫টি সংস্থার কাছে ৫০১টি এ২২০ বিমান সরবরাহ করা হয়েছে।
পরিবেশগত দিক থেকেও এ বিমানটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইতিমধ্যে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত টেকসই বিমান জ্বালানি (এসএএফ) ব্যবহারে সক্ষম। এয়ারবাস ২০৩০ সালের মধ্যে তার সকল বিমানকে শতভাগ এসএএফ-সামর্থ্য করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
চুক্তির আর্থিক মূল্য ও বিমান সরবরাহের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র: এয়ারবাস