ফিলিপাইনে প্রবেশ ও প্রস্থানে ই–ট্রাভেল রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Monday, December 29, 2025
সংগৃহীত ছবি
ফিলিপাইন সরকার দেশটিতে আগমন ও প্রস্থানের ক্ষেত্রে সব যাত্রী ও ক্রু সদস্যের জন্য ই–ট্রাভেল (eTravel) নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না করলে বিমানবন্দরে বোর্ডিং বা দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, যাত্রীদের আগমন বা প্রস্থানের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি ওয়েবসাইট etravel.gov.ph অথবা eGov PH মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ই–ট্রাভেল নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। সফলভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন হলে যাত্রীদের একটি কিউআর কোড (QR Code) দেওয়া হবে, যা বিমান সংস্থার কর্মী ও অভিবাসন কর্মকর্তাদের কাছে যাচাইয়ের সময় প্রদর্শন করতে হবে।
ফিলিপাইনের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন (BI) এবং ব্যুরো অব কাস্টমস (BOC) জানিয়েছে, ই–ট্রাভেল ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে প্রচলিত কাগজের আগমন কার্ড বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে সীমান্ত কার্যক্রম সহজ হবে, যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত হবে এবং প্রবেশ বন্দরগুলোতে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নজরদারি আরও জোরদার হবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ই–ট্রাভেল সিস্টেমটি একটি ডিজিটাল একক তথ্য সংগ্রহ প্ল্যাটফর্ম, যা ফিলিপাইনে আগমন ও প্রস্থানের সময় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং অর্থনৈতিক তথ্য বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হবে।
এছাড়া যাত্রীদের শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট etravel.gov.ph-এর মাধ্যমেই ই–ট্রাভেল ঘোষণা ফরম পূরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কারণ, কিছু ভুয়া ওয়েবসাইট নিজেদের সহায়ক সেবাদাতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করছে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
এই নিয়ম প্রায় সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যার মধ্যে বিমান ও জাহাজের ক্রু সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত। তবে বিদেশি কূটনীতিক ও কূটনৈতিক বা সরকারি পাসপোর্টধারীদের মতো কিছু শ্রেণি এই নিয়মের বাইরে থাকতে পারেন।
এদিকে বিমান সংস্থাগুলোকে বোর্ডিংয়ের আগে যাত্রীদের ই–ট্রাভেল নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিবন্ধন না থাকলে অভিবাসন কর্মকর্তারা যাত্রীদের দেশে প্রবেশে বাধা দিতে পারেন। ভ্রমণ জটিলতা এড়াতে যাত্রীদের আগেভাগেই নিবন্ধন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।