Logo
এয়ারলাইন্স এয়ারপোর্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স পর্যটন হোটেল প্রবাস লাইফস্টাইল কর্পোরেট রেগুলেটরস মুখোমুখি

Aviation Express

লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, ৩১ মে ফিরছেন ১৭৫ বাংলাদেশি

ডেস্ক রিপোর্ট | Published: Wednesday, May 20, 2026
লিবিয়ার তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, ৩১ মে ফিরছেন ১৭৫ বাংলাদেশি

ছবি: দূতাবাস


লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ হাবীব উল্লাহ গত ১৭ মে ত্রিপলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার পরিদর্শন করেছেন এবং জানিয়েছেন যে আগামী ৩১ মে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৭৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে দূতাবাস কাজ করছে। 


লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।


পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত সেখানে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে দূতাবাসের চলমান প্রচেষ্টার বিষয়ে অবহিত করেন। তিনি অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কেও সচেতনতামূলক বার্তা দেন।


আটক অভিবাসীরা রাষ্ট্রদূতকে জানান যে অনিয়মিত অভিবাসনের প্রলোভনে পড়ে তারা ভিটেমাটিসহ সর্বস্ব হারিয়েছেন এবং দালালচক্রের প্রতারণার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অমানবিক পরিস্থিতিতে আটক রয়েছেন। রাষ্ট্রদূত তাদের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা দেশে ফিরে স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারের পরামর্শ দেন, যাতে অন্যরা সচেতন হতে পারেন।


পরিদর্শনকালে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সেন্টারে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।


রাষ্ট্রদূত ডিটেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পৃথক বৈঠকও করেন। বৈঠকে বাংলাদেশি নাগরিকদের আবাসন, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সার্বিক কল্যাণ নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ এবং দ্রুত প্রত্যাবাসনে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হয়।


পরিদর্শনের এই উদ্যোগে আটক বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে স্বস্তির সৃষ্টি হয় এবং তারা দূতাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।


দূতাবাসের এই পরিদর্শনে কাউন্সেলর (শ্রম) ও প্রথম সচিব (শ্রম) উপস্থিত ছিলেন।


তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারটি লিবিয়ার ত্রিপলি থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। ২০১৪ সাল থেকে এটি সক্রিয় রয়েছে এবং ২০২৬ সালেও চালু আছে।


গ্লোবাল ডিটেনশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এখানে অভিবাসী, আশ্রয়প্রার্থী ও শরণার্থী — শিশুসহ — স্বেচ্ছাচারীভাবে অমানবিক পরিস্থিতিতে আটক রাখা হয়, যেখানে নির্যাতন, জোরপূর্বক শ্রম এবং চাঁদাবাজির মতো মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়মিত ঘটনা।


বাংলাদেশের সম্পর্ক এই কেন্দ্রের সঙ্গে নতুন নয়, কারণ আগের ব্যাচেও এখান থেকেই বাংলাদেশিরা ফিরেছেন।


Make Comment

Login to Comment
Leaving AviationExpress Your about to visit the following url Invalid URL

Loading...
Comments


Comment created.

Related News