নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিমানবন্দরে মাস্ক ব্যবহারের আহ্বান মালয়েশিয়ার
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Friday, January 30, 2026
কোলাজ: এভিয়েশন এক্সপ্রেস
ভারতে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার পর স্বাস্থ্য সচেতনতায় মালয়েশিয়ার বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, যাত্রাপথের আগে ও পরে যাত্রীদের স্বাস্থ্য সচেতন থাকতে হবে। কোনো অসুস্থতা অনুভূত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ভিড় লেগে থাকা স্থানগুলোতে মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া, যাত্রা পরিকল্পনা দায়িত্বশীলভাবে করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও জরুরি বলে জানানো হয়।
মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সব আন্তর্জাতিক প্রবেশপথে তল্লাশি ও স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং করার তোড়জোড় বাড়ায়। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দুই জন নিশ্চিত নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছেন।
মালয়েশিয়ায় এখনও কোনো নিপাহ ভাইরাস সংক্রমনের ঘটনা পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সীমান্ত সংস্থা পশুজাত পণ্যের তদারকিও বাড়িয়েছে। ‘ওয়ান হেলথ’ নীতির অধীনে পশু ও বন্যপ্রাণী বিভাগের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, মালয়েশিয়ার কোনো প্রাণীতে এ ভাইরাস পাওয়া যায়নি। সাধারণ জনগণ এবং বিদেশী যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, অসুস্থ পশুর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা ও সন্দেহজনক খাবার না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় সর্বশেষ নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে ১৯৯৮-১৯৯৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে। এই ভাইরাসের কারণে মৃত্যুর সম্ভাবনা ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ হয়ে থাকে। গুরুতর শ্বাসকষ্ট ও মস্তিষ্কের প্রদাহ সৃষ্টির জন্যও দায়ী এই ভাইরাস। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সতর্ক এবং প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে আক্রান্ত পশুর সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শে আসা। এক্ষেত্রে শূকর ও বাদুর বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত। দূষিত খাবার খেলেও মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এলেও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: মালয়মেইল