ম্যানচেস্টার ফ্লাইট
সিলেট প্রবাসীদের বিমান বয়কট, রেমিট্যান্স বন্ধের হুঁশিয়ারি
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Thursday, January 29, 2026
ছবি: সংগৃহীত
সিলেট–ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু না রাখলে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করার ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স (বিমান) বয়কটের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রবাসীরা।
অভিযোগ করা হয়, বিমানের ভেতরের এক অসাধু চক্র অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাৎ করে ইচ্ছাকৃতভাবে ঐ রুটে লোকসান দেখাচ্ছে।
বুধবার যুক্তরাজ্য এনআরবি সোসাইটি ও ইউকে বাংলাদেশি হেরিটেজ কাউন্সিলর ফোরামের উদ্যোগে সিলেটে অনুষ্ঠিত হয় ‘মার্চ ফর বিমান’। কর্মসূচিতে সিলেট–ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট চালু রাখার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে রুটটি বন্ধ করা হলে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন অংশগ্রহণকারীরা।
চৌহাট্টা এলাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মজুমদারি এলাকায় অবস্থিত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
পদযাত্রা শেষে বিমানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, যে রুট থেকে বিমানের মোট ব্যবসার প্রায় ৮৩ শতাংশ আসে, সেই রুটে কীভাবে লোকসান দেখানো হয় তা বোধগম্য নয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই রুটে মোট ৪৫ হাজার আসনের বিপরীতে প্রায় ৩৮ হাজার যাত্রী ভ্রমণ করেছেন।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, টিকিটের মূল্য ৭০০-৮০০ পাউন্ড (প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা) হলেও অনেক সময় তাদের কাছ থেকে ১,২০০-১,৫০০ পাউন্ড (প্রায় ২ লাখ ৩ হাজার থেকে ২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা) নেওয়া হয়।
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কায়েস লোদী বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির রেমিট্যান্স যোদ্ধা। তাদের শ্রমেই বাংলাদেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রবাসীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করা হবে।
তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তার মতে, এই রুট বন্ধ হলে যুক্তরাজ্যে থাকা প্রবাসীদের যাতায়াতে মারাত্মক সংকট তৈরি হবে।
পদযাত্রায় যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ও সিলেটের বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশ পরিচালনা করেন ইউকে এনআরবি সোসাইটির পরিচালক মিজানুর রহমান। বক্তব্য দেন ইউকে এনআরবি সোসাইটির পরিচালক এম আহমদ জুনেদ, ওল্ডহাম বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জামাল উদ্দিন এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ বুলবুল আমিন, বদরুল আলম ও দবির মাল্লিক।