তৃতীয় টার্মিনাল চালুতে জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Sunday, February 22, 2026
Collage: Aviation Express
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (ঢাকা এয়ারপোর্ট) তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর উদ্যোগ নিতে বলেন।
রবিবার সচিবালয়ে তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনার বিষয়ে জানান।
তারা দুজনেই প্রধানমন্ত্রীর টার্মিনাল চালু দ্রুত চালু করার কথা নিশ্চিত করেন। তবে নির্দিষ্ট সময়সীমা প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ সত্ত্বেও তৃতীয় টার্মিনাল বহু বছর ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
বিএনপির ইশতেহারে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রেক্ষাপটেই এমন আলোচনা করা হয়। বর্তমানে ঢাকা এয়ারপোর্টের দুইটি টার্মিনাল দিয়ে বছরে ২ কোটিরও বেশি যাত্রী সেবা পাচ্ছেন। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং যাত্রীজট কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গত বছরের অক্টোবরে বিমানবন্দরের কার্গো অংশে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তাই অবকাঠামোগত ঘাটতি ও কার্যক্রমগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ বছর নবনির্বাচিত সরকার তৎপর হয়ে উঠেছে। পূর্বে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে নাশকতার বিষয়টি নাকচ করা হলেও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ঘাটতি তুলে ধরা হয়।
গত এক দশকে অর্থায়ন সংকট, প্রযুক্তিগত জটিলতা এবং প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জের কারণে তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পটি একাধিকবার বিলম্বের মুখে পড়ে। ক্রমবর্ধমান যাত্রীচাহিদা ও এয়ারলাইনের কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরেই নতুন টার্মিনালের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছেন।
আন্তর্জাতিক সংযোগ বৃদ্ধি ও নতুন এয়ারলাইন অংশীদারিত্বের কারণে দেশের এভিয়েশন খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। তৃতীয় টার্মিনাল সফলভাবে চালু হলে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী কলকাতা, দিল্লি ও ব্যাংকক বিমানবন্দরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ঢাকা আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।