Logo
এয়ারলাইন্স এয়ারপোর্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স পর্যটন হোটেল প্রবাস লাইফস্টাইল কর্পোরেট রেগুলেটরস মুখোমুখি

Aviation Express

আগামীকালের বৈঠকে তৃতীয় টার্মিনাল চুক্তি নিয়ে আশাবাদী বিমান প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট | Published: Thursday, April 02, 2026
আগামীকালের বৈঠকে তৃতীয় টার্মিনাল চুক্তি নিয়ে আশাবাদী বিমান প্রতিমন্ত্রী

ছবি: এভিয়েশন এক্সপ্রেস

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত আজ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তির সিদ্ধান্ত আগামীকালের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে।


তিনি বলেন, আর্থিক ব্যবধানের মূল বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়েছে এবং জাপান সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে।


আজ সকালে এভিয়েশন এক্সপ্রেসকে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি আশা করছি যে আগামীকাল চুক্তি নিয়ে আমরা একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবো।”


মিল্লাত জানান, বিমান মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং তিনি আজ দুপুরে সচিবালয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করেন।


তিনি বলেন, “আর্থিক ব্যবধানের বিষয়টি জাপানের রাষ্ট্রদূতকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি সহানুভূতি দেখিয়ে কনসোর্টিয়াম ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।”


তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রায় দেড় বছর তৃতীয় টার্মিনাল বন্ধ থাকায় বেশ কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন বাংলাদেশে ফ্লাইট চালু করতে পারেনি।


বৈঠকে সমঝোতা হলে চুক্তি স্বাক্ষর করতে প্রায় তিন মাস লাগতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ দিকে অথবা ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে টার্মিনাল উদ্বোধন করা হতে পারে।


মিল্লাত জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।


সাম্প্রতিক অগ্রগতির বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ১৩ তারিখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া বৈঠক ছাড়াও ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকভাবে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পর গত সোমবার ও মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) দপ্তরে সংশোধিত প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হয়।


মিল্লাত জানান, বুধবার বিমান মন্ত্রী ও তাকে বেবিচক এবং প্রকল্প পরামর্শক ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) বর্তমান আর্থিক ব্যবধান সম্পর্কে অবহিত করে।


চূড়ান্ত আলোচনা বৈঠক আগামীকাল বিকাল ৩টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নির্ধারিত করা হয়েছে।


সূত্র জানায়, বাংলাদেশের পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিমান মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিমান প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা।


জাপানের পক্ষে জাপানিজ ল্যান্ড, ইনফ্রাস্ট্রাকচার, ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড ট্যুরিজম (এমএলআইটি) ভাইস-মিনিস্টাররা, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং জাপানি কনসোর্টিয়ামের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।


জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, সোজিৎস কর্পোরেশন এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন নিয়ে গঠিত জাপানি কনসোর্টিয়াম কম খরচের একটি সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে গেছে।


জাইকার প্রকল্প অর্থায়নে আনুমানিক ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা খরচে এই টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়।


প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে নির্মিত বছরে অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী এবং প্রায় ৯ লাখ টন কার্গো পরিচালনা করার জন্যই এই এই টার্মিনালের নকশা বানানো হয়।

Make Comment

Login to Comment
Leaving AviationExpress Your about to visit the following url Invalid URL

Loading...
Comments


Comment created.

Related News