বাংলাদেশ রুটে ড্রিমলাইনার আনছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
| Published: Tuesday, August 04, 2026
ছবি: ওহিদুজ্জামান টিটু
বাংলাদেশ রুটে আগামী বছর থেকে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়ানোর পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স। মঙ্গলবার রাজধানীর এলিট কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত টিকে কানেক্ট (TK Connect) এনডিসি (New Distribution Capability) কর্মশালায় এ ঘোষণা দেন এয়ারলাইনটির ঢাকা কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার ইসলাম গুরে।
অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০০ ট্রাভেল এজেন্সির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে ইসলাম গুরে বলেন, ২০২৭ সাল থেকে ঢাকা রুটে অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সেবার মান আরও উন্নত হবে।
তিনি বলেন, “ড্রিমলাইনার যুক্ত হলে যাত্রীদের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে। বিজনেস ক্লাসের যাত্রীরা আধুনিক কেবিনে আরও আরামদায়ক ও প্রিমিয়াম সেবা পাবেন। পাশাপাশি ইকোনমি ক্লাসের যাত্রীরাও আরও আরামদায়ক, নমনীয় ও এরগোনমিক আসনের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।”
ইসলাম গুরে বলেন, ঢাকা রুটে ড্রিমলাইনার পরিচালনার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বাজারে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও আস্থার প্রতিফলন। “এই বিনিয়োগ বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আমাদের আস্থা এবং স্থানীয় অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ,” বলেন তিনি।
বর্তমানে টার্কিশ এয়ারলাইন্সই একমাত্র ইউরোপীয় এয়ারলাইন, যা ঢাকা থেকে ইউরোপে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করে। বিশ্বের ৩৫৮টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনটি ১৯৩৩ সালে মাত্র পাঁচটি উড়োজাহাজ নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তাদের বহরে ৫৬২টি যাত্রী ও কার্গো উড়োজাহাজ রয়েছে।
ড্রিমলাইনার পরিচালনার ঘোষণাটি ছিল দিনব্যাপী কর্মশালার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। কর্মশালায় এয়ারলাইনটির নতুন ডিস্ট্রিবিউশন ক্যাপাবিলিটি (এনডিসি) প্ল্যাটফর্ম টিকে কানেক্ট নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন এনডিসি স্পেশালিস্ট উমুত সেরতাচ ইয়িলমাজ এবং মার্কেটিং অফিসার (ইন্টারন্যাশনাল) এজাজ কাদরি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
কর্মশালার সমাপনীতে টার্কিশ এয়ারলাইন্স জানায়, বৈশ্বিক ভ্রমণ বাজারে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে স্থানীয় ট্রাভেল অংশীদারদের নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রয়োজনীয় জ্ঞান, সহায়তা ও আস্থা প্রদান অব্যাহত রাখা হবে।