মালয়েশিয়ার পর্যটন সম্ভাবনার রঙিন প্রদর্শনী ঢাকায় আয়োজিত
সিনিয়র প্রতিবেদক
| Published: Sunday, December 07, 2025
ছবি: ওহিদুজ্জামান টিটু। © এভিয়েশন এক্সপ্রেস
শনিবার রাতে ঢাকার সাংস্কৃতিক আয়োজনে প্রাণবন্ত অভ্যর্থনা তুলে ধরে
মালয়েশিয়া। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাই কমিশনার মোহদ শুহাদা
ওসমান বলেন, ২০২৬ ও পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়ার ভিশনে বাংলাদেশ অন্যতম
গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন সহযোগী। আর দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করাই সেই
ভিশনের কেন্দ্রবিন্দু।
মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ারকে সামনে রেখে আয়োজিত গালা ডিনারে তিনি
বলেন, ফেস্টিভ্যাল মালয়েশিয়ার লক্ষ্য ছিল ‘ঢাকাকে মালয়েশিয়ার রঙ, স্বাদ এবং সুরে ভরিয়ে তোলা’।
মালয়েশিয়ার বহুসংস্কৃতির সৌন্দর্য এবং বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের
বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার,
পর্যটনশিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ কূটনৈতিক মিশনের
প্রতিনিধিরা। আয়োজনে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা যেন মুহূর্তেই আলো, ঘ্রাণ ও
শিল্পরীতির এক ক্ষুদ্র মালয়েশিয়ান শহরে পরিণত হয়।
২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ পর্যটক আনার লক্ষ্য মালয়েশিয়ার
এর আগে দুপুরে মালয়েশিয়া ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধন এবং ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬ অভিযানের ঘোষণাকালে হাইকমিশনার ওসমান জানান, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ থেকে
তিন লাখ পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্যে কাজ করছে মালয়েশিয়া।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার অন্যতম দ্রুত-বর্ধনশীল পর্যটন
বাজার এবং নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য সরকারি ই-ভিসা ব্যবস্থার সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত
জরুরি”।
মালয়েশিয়ায় পৌঁছে অভিবাসনে ভ্রমণকারীদের আটকে যাওয়া বা ফেরত
পাঠানো নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গে তিনি জানান, সরকারি ই-ভিসা প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ
ও পদ্ধতিগত। তবে অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য মাধ্যম ব্যবহারে ভুল তথ্য বা
অসঙ্গতি তৈরি হতে পারে, যার ফলে জটিলতা এমনকি ব্ল্যাকলিস্ট হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
ভ্রমণকারীদের পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও বলেন, কেউ ই-ভিসা সংক্রান্ত
নির্দেশনা চাইলে সরাসরি মালয়েশিয়া হাই কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। হাই
কমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজেও নিয়মিত আসল ভিসা লিংক প্রকাশ করা হয়।
সংস্কৃতির চমক ও রন্ধনশিল্পের উচ্ছ্বাস