মিল্লাত পূর্ণ মন্ত্রী, সম্প্রসারিত হলো মন্ত্রিসভা
নিজস্ব প্রতিবেদক
| Published: Saturday, August 22, 2026
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে তাকে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেন।
মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের এই পর্যায়ে চারজনকে পূর্ণ মন্ত্রী এবং দুজনকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে মিল্লাতের সঙ্গে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান পার্থ এবং বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি।
২১ আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে বঙ্গভবনের দরবার হলে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে একই দিনে তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ২০ আগস্ট ২০২৬ সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হন।
একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
সর্বশেষ সম্প্রসারণের পর প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ২৮ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৭ জন প্রতিমন্ত্রী।
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ গঠিত প্রাথমিক মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীসহ মোট ৫০ জন সদস্য ছিলেন। ওই মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
মন্ত্রিসভা গঠনের সময় প্রধানমন্ত্রী ১০ জন উপদেষ্টাকেও নিয়োগ দিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে পাঁচজন মন্ত্রীর পদমর্যাদা এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা পেয়েছিলেন।
মন্ত্রিসভা গঠনের পর এর আগে আরও দুটি পরিবর্তন আসে। ১৩ মার্চ ২০২৬ বিএনপির সংসদ সদস্য আহমেদ আজম খানকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়।
এর আগে ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় পদটি শূন্য হয়।
১ জুন ২০২৬ পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেন। এরপর মন্ত্রণালয়টির পদটি শূন্য ছিল।
মন্ত্রিসভার সর্বশেষ এই পরিবর্তন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিন পূর্তির সময় করা হলো।
১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদি আমিন সরকারের প্রথম ছয় মাসের অগ্রগতি তুলে ধরে জানান, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যক্রম গ্রহণ ওই সময়ের সরকারের প্রধান কর্মকাণ্ডের মধ্যে ছিল।