পুলিশের জন্য এখনই আলাদা এভিয়েশন ইউনিট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
| Published: Tuesday, May 12, 2026
ছবি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ এই মুহূর্তে পুলিশের জন্য আলাদা এভিয়েশন ইউনিট গঠন করা এই মুহূর্তে সুবিবেচিত মনে করছেন না । বিদ্যমান আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিমান সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণের সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নতুন ইউনিট গঠনের আগে প্রথমে বিদ্যমান সক্ষমতা শক্তিশালী করতে হবে।
সোমবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে তিনি বলেন, "প্রেস্টিজের জন্য কোনো সংস্থার হেলিকপ্টার দরকার হলে সেটা ভিন্ন কথা। কিন্তু আগে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে বাস্তব সক্ষমতা।"
মন্ত্রী জানান, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাশিয়া থেকে পুলিশের জন্য কেনা দুটি হেলিকপ্টার আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থ লেনদেন জটিলতার কারণে এখনো দেশে পৌঁছায়নি।
তিনি বলেন, "সংশ্লিষ্ট দেশের ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে এবং শিগগিরই হেলিকপ্টারগুলো সরবরাহ পাওয়া যেতে পারে।"
তিনি বলেন, আমরা এখনো হেলিকপ্টার পাইনি। এমআই-১৭ কি পুলিশ এখন মেইনটেইন করতে পারবে? যেটা মেইনটেইন করতে পারবে, সেরকম অর্গানাইজেশনের জন্য হলে অসুবিধা নেই। হেলিকপ্টারগুলো হাতে পাওয়ার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় আকারের হেলিকপ্টার বিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে এক্সচেঞ্জ করা হতে পারে।
দেশের বিদ্যমান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হেলিকপ্টারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ঠিকভাবে হচ্ছে না বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজশাহী সফরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ওই হেলিকপ্টারে উঠতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি। বিজিবির দুটি হেলিকপ্টারের মধ্যে একটি প্রায়ই রক্ষণাবেক্ষণে থাকে, আর অন্যটি পুরোপুরি অচল।
ভবিষ্যতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পুলিশ যথেষ্ট কারিগরি ও পরিচালনগত দক্ষতা অর্জন করলে আলাদা এভিয়েশন ইউনিট গঠনের বিষয়টি সরকার পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
বাংলাদেশ পুলিশের নিজস্ব কোনো এয়ারক্রাফট এখন পর্যন্ত নেই।