টাওয়ার হ্যামলেটস টাউন হলে শুরু বাংলাদেশ হেরিটেজ উইকএন্ড ও ট্রেড ফেয়ার ২০২৫
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Sunday, December 14, 2025
ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
প্রবাসী কমিউনিটিকে কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার এক অনন্য উদ্যোগ সূচনার অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের টাউন হলে শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ হেরিটেজ উইকএন্ড এন্ড ট্রেড ফেয়ার ২০২৫।
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম এবং টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান যৌথভাবে শনিবার এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, হাইকমিশনের এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ,ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের সহযোগিতায় আয়োজিত এই হেরিটেজ উইকএন্ড ও বাণিজ্য মেলার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই) এবং যুক্তরাজ্যের, বিশেষ করে টাওয়ার হ্যামলেটসের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা। পাশাপাশি প্রবাসে নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানাশোনা আরও গভীর করা।
বাংলাদেশ হেরিটেজ উইকএন্ড এন্ড ট্রেড ফেয়ার ২০২৫–এর কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য মেলা, ‘ঢাকা টু ব্রিক লেন’ শীর্ষক চিত্রকলা প্রদর্শনী, ‘বাংলাদেশ ইন মাই আইজ’ ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী, লিটারেচার মিট এবং স্ট্রিট ফুড ফেস্টিভ্যাল। মেলায় বাংলাদেশ থেকে আগত ১৩ জন এবং স্থানীয় ১৫ জন নারী উদ্যোক্তার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠনের স্টল রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের গতিশীল অর্থনীতির প্রতিচ্ছবি হলো আমাদের উদ্যমী এসএমই খাত। আজকের এই ট্রেড ফেয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে সরাসরি ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপনের একটি মঞ্চ। এটি আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও প্রদর্শনী। প্রবাসীরা আমাদের প্রধান সম্পদ ও সেরা দূত।”
টাওয়ার হ্যামলেটস নির্বাহী মেয়র লুৎফুর রহমান বলেন, “টাওয়ার হ্যামলেটসে বাংলাদেশি কমিউনিটির হৃৎস্পন্দন আজও সবচেয়ে জোরালো। আমাদের জনগোষ্ঠীর কৃতিত্বপূর্ণ অবদান আমাদের গর্বিত করে। এই হেরিটেজ উইকএন্ড শুধু অতীতকে স্মরণ নয়, বর্তমানের জীবন্ত সংস্কৃতি ও ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও উদযাপন। এটি বাংলাটাউন ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সেতু।”
উদ্বোধনী দিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিকাল ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ব্রিটিশ বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের কুইজ প্রতিযোগিতা, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হয়। বিকাল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত বাংলা ক্যালিগ্রাফি ও রিকশা আর্ট ডেমোনস্ট্রেশনের হাতে-কলমে কর্মশালা এবং একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র: বাংলাদেশ হাইকমিশন-লন্ডন, janomot.com