'আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস' ও 'জাতীয় প্রবাসী দিবস' পালনে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত
ছবি: মন্ত্রণালয়
'আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস' এবং 'জাতীয় প্রবাসী দিবস' যথাযথভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় দিবস দুটি পালন সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রবাসীদের সততা ও মানবিকতার দৃষ্টান্তমূলক ঘটনাগুলো তুলে ধরেন। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দেওয়া, বিপদে পড়া সহকর্মী ও স্থানীয় নাগরিকদের জীবন বাঁচানো কিংবা অসুস্থদের রক্ত দেওয়ার মতো প্রশংসনীয় কাজের জন্য সিআইপি (CIP)-দের পাশাপাশি সাধারণ প্রবাসীদেরও এই দিবসগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বাইরে জেলা, উপজেলা এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও পূর্ণ ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিবস দুটি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সভায়।
এ ছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর প্রতারণা কমাতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দ্রুত 'গ্রেডিং পদ্ধতি' চালুর ওপর বিশেষ জোর দেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক।
আন্তঃমন্ত্রণালয় এই সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব আহমাদুল হক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিবছর ১৮ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে 'আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস' পালিত হয়। অন্যদিকে প্রবাসীদের অবদান স্মরণে বাংলাদেশ সরকার ৩০ ডিসেম্বরকে 'জাতীয় প্রবাসী দিবস' (National Expatriates' Day) হিসেবে ঘোষণা করে, যা প্রথম পালিত হয় ২০২৩ সালে।