বিমান ভাড়া আরও কমানোর চিন্তা সরকারের: মন্ত্রী
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
| Published: Sunday, August 30, 2026
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট সম্প্রসারণ ও আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিমান ভাড়া আরও কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।
রোববার সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া একসময় প্রায় দুই লাখ টাকা ছিল, যা অন্তর্বর্তী সরকার পরে কমিয়ে প্রায় এক লাখ টাকায় নামিয়ে আনে। গত হজে সর্বোচ্চ এক লাখ ৫৪ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নির্ধারণ করা হলেও এ বছর ডাইনামিক প্রাইসিংয়ের মাধ্যমে তা এক লাখ ৩০ হাজার টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে।
বিমানের নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ পরিকল্পনা এবং রুটগুলো পুনরায় চালু বা পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভবিষ্যতে ভাড়া আরও কমানোর কথা ভাবা হবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বিমানের রুটগুলো পুরোপুরি সচল হলে সংস্থাটির আয় বাড়বে। আয় বৃদ্ধির ফলে বিমান ভাড়া আরও কমানোর সুযোগ তৈরি হলে সরকার তা বিবেচনা করবে।
তিনি আরও বলেন, অন্যান্য বিমান সংস্থার প্রচলিত কার্যক্রম ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমানের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
রাজশাহী-১ আসনের বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমানের আরেকটি সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যাত্রার সময় ঘনিয়ে এলে অভ্যন্তরীণ রুটে টিকিটের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত ভাড়া ১২ হাজার টাকা নয়, প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা।
তিনি বলেন, যাত্রীদের এ ভাড়ার সঙ্গে প্রায় ১৫ শতাংশ কর ও অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জও পরিশোধ করতে হয়।
মিল্লাত বলেন, ফ্লাইটের সময় ঘনিয়ে এলে টিকিটের মূল্য কারসাজি বা কালোবাজারি ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
সরকার নির্ধারিত মূল্যে যাত্রীরা যাতে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে যাত্রীদের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে টিকিট কিনতে হবে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
মন্ত্রী বলেন, বিমানকে আর্থিকভাবে টেকসই রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণ আরও সাশ্রয়ী করতে সরকার কাজ করছে।