বিশ্ব রুটি দিবসে আর্টিজান ব্রেড আনল ক্রাউন প্লাজা
নিজস্ব প্রতিবেদক
| Published: Monday, October 19, 2026
-ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট
বিশ্ব রুটি দিবস উপলক্ষে 'ঢাকাস বেস্ট ব্রেড' নামে নিজস্ব আর্টিজান বেকারি ব্র্যান্ড চালু করেছে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট। ১৬ অক্টোবর এর উদ্বোধন হয় বলে জানিয়েছে হোটেলটি।
আইএইচজি হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসের অংশ এই হোটেলের মাস্টার বেকার ও প্যাটিসিয়ার শেফ ফিলিপের নেতৃত্বে তৈরি এই সংগ্রহে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি ও মানসম্মত উপকরণের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। রুটিগুলো পাওয়া যাবে হোটেলের কানেক্সনস রেস্তোরাঁয়। এর ঠিকানা কুর্মিটোলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের সিভিল এভিয়েশন প্লটে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ডিরেক্টর সাকিব ইরশাদ। শেফ ফিলিপ সংগ্রহটি পরিচয় করিয়ে দেন এবং নিজের তৈরি সাওয়ারডো কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।
হোটেলের তথ্য অনুযায়ী, সংগ্রহে পাঁচ ধরনের রুটি রয়েছে:
১. আর্টিজানস: ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে দীর্ঘ সময় ফারমেন্ট করে তৈরি, বাইরের অংশ মচমচে।
২. মাল্টিগ্রেইন: বীজ, ওটস ও দেশি মধুর মিশ্রণ।
৩. ওয়েলনেস: চিয়া সিড, ওটস ও কিনোয়ার মিশ্রণ।
৪. সেভরি: রোস্টেড রসুন ও ভূমধ্যসাগরীয় স্বাদের গ্রামীণ ধাঁচের চিয়াবাত্তা।
৫. সফট সিগনেচার: নারকেলের দুধ ও সামান্য হলুদ দিয়ে তৈরি নরম, সোনালি রুটি।
গোল্ডম্যান বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় উৎস। এর মাধ্যমে দেশে দক্ষতা ও জ্ঞান আসছে এবং কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। আইএইচজির মতো ব্রিটিশ ব্র্যান্ডগুলো দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলছে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষায় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঢাকার আতিথেয়তা ও খাবারের জগৎ দ্রুত বদলে যাচ্ছে দেখে তিনি অনুপ্রাণিত বলেও জানান।
আইএইচজির সাউথ-ওয়েস্ট এশিয়ার এরিয়া জেনারেল ম্যানেজার এবং ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্ট ও ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার অশ্বনী নায়ার বলেন, "রুটি কেবল প্রধান খাবার নয়, এর চেয়ে বেশি কিছু।" তিনি জানান, পুরান ঢাকার বাকরখানি ও ফ্ল্যাটব্রেড থেকে শুরু করে পরিবারে চেনা রুটি পর্যন্ত ঢাকার খাদ্যস্মৃতিতে রুটির বিশেষ জায়গা আছে। সেই ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়ে নতুন স্বাদ যোগ করাই এই ব্র্যান্ডের লক্ষ্য।
তাঁর ভাষ্য, ইউনাইটেড টার্মিনালের মান নিয়ে প্রতিশ্রুতি এবং আইএইচজির আন্তর্জাতিক আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা এর পেছনে রয়েছে।
নায়ার জানান, ব্র্যান্ডটির দর্শন 'ইওর ব্রেড, ইওর ওয়ে'। সেই অনুযায়ী অতিথিরা নিজের পছন্দমতো অর্ডার সাজিয়ে নিতে পারবেন। তবে এ জন্য শর্ত প্রযোজ্য বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শেফ ফিলিপ বলেন, হোটেলের বেকারি চালুর সময়ই এই যাত্রার শুরু। তখন তৈরি হয় তাঁদের 'মাদার' ডো, যা তৈরিতে ধৈর্য, যত্ন ও সময় লেগেছে। প্রথম রুটিগুলো বের হওয়ার পর তাঁরা গর্ববোধ করেছিলেন বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, সেটি ছিল "এমন এক প্রতিশ্রুতির শুরু, যা প্রতিবার বেক করে অর্জন করতে হবে।"