নয়াদিল্লিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করল বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম ফাউন্ডেশন
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
| Published: Thursday, September 10, 2026
ছবি: বিএমটিএফ
বাংলাদেশের মেডিকেল ট্যুরিজম খাতের জন্য একটি বড় অর্জন যুক্ত হলো। ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা ও মেডিকেল ট্যুরিজম প্ল্যাটফর্ম সঞ্জীবনী ২০২৬-এ আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সরকারি অনুমোদিত বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম ফাউন্ডেশন (বিএমটিএফ)।
বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্বের ৩৯টি দেশের শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনটিকে বৈশ্বিক মেডিকেল ট্যুরিজম সম্প্রদায়ের সামনে পরিচয় করিয়ে দেন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরাদ হোসাইন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আন্তর্জাতিক আত্মপ্রকাশ বাংলাদেশের মেডিকেল ট্যুরিজম খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করে তুলবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী, সুসংগঠিত, মানসম্মত ও আন্তর্জাতিকভাবে যুক্ত মেডিকেল ট্যুরিজম ব্যবস্থা গড়ে তোলাই ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। পাশাপাশি মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল, স্বাস্থ্যসেবা সহযোগিতা, রোগী সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যসেবা অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের সক্ষমতা বিশ্বের সামনে তুলে ধরার কথাও জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মো. শাহাদাত রশিদ (আপন), গভর্নিং বোর্ড সদস্য কাসরুল হক খান, মুশফিকুর রহমান, নিশাত দিনা, ফজলে এলাহী ও রবিন লালসহ ফাউন্ডেশনের অন্য সদস্য ও প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা ও সেবা রপ্তানি খাতের উন্নয়ন, প্রসার ও আন্তর্জাতিকীকরণে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েকজন ভারতীয় স্বাস্থ্যসেবা নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেয় বাংলাদেশ মেডিকেল ট্যুরিজম ফাউন্ডেশন। সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন সার্ভিসেস এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের চেয়ারপারসন ড. উপাসনা অরোরা, ডিরেক্টর জেনারেল ড. অভয় সিনহা এবং সিনিয়র ডিরেক্টর চন্দ্রাংশু আওয়াস্তি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সঞ্জীবনী ২০২৬-এ এই আত্মপ্রকাশ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক পরিচয় নয়, বরং বাংলাদেশের মেডিকেল ট্যুরিজম খাতকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সংগঠিতভাবে তুলে ধরার নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা।
বিভিন্ন দেশের হাসপাতাল, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি ও শিল্পনেতৃবৃন্দের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময়, বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব এবং মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল উন্নয়নের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
ফাউন্ডেশন বিশ্বাস করে, সমন্বিত উদ্যোগ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল ও স্বাস্থ্যসেবা হাব হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।