পেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১৩
ডেস্ক রিপোর্ট
| Published: Sunday, August 02, 2026
ছবি: সংগৃহীত
শনিবার পেরুতে পর্যটকবাহী একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে বিমানে থাকা ১৩ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও পেরুর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
বিধ্বস্ত হওয়া আগে সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮ মডেলের উড়োজাহাজটি দক্ষিণ পেরুর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান নাসকা লাইনসের ওপর দিয়ে উড়ছিল। বিমানে ১১ জন যাত্রী ও দুজন পাইলট ছিলেন।
পেরুর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুজন জার্মান, দুজন স্প্যানিশ ও সাতজন ইতালীয় পর্যটক ছিলেন। দুর্ঘটনার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান নাসকা লাইনস একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র, যেখানে মরুভূমির বালিতে প্রাচীন কালে আঁকা বিভিন্ন প্রাণীর ছবি দেখা যায়। এই আঁকিবুঁকি পুরোপুরি দেখার জন্য পর্যটকরা সাধারণত ছোট বিমানে চড়ে ঘুরে দেখেন।
এএফপি জানিয়েছে, পুলিশ মেজর হোর্হে আন্দ্রাদে বলেছেন, দুর্ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই। এ পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা) পুয়েবলো ভিয়েহো এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। উড়োজাহাজটি পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করেছিল।
রয়টার্সের ভিডিওতে দেখা যায়, বিধ্বস্ত স্থান থেকে ধোঁয়া উড়ছে, আর দমকলকর্মীরা সেখানে পানি ছিটাচ্ছেন।
নাসকা প্রাদেশিক পৌরসভার পক্ষ থেকে অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনায় "গভীর শোক" প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বিমানটি স্থানীয় পেরুভিয়ান এয়ারলাইন্স অ্যারোদিয়ানার মালিকানাধীন ছিল।
রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এয়ারলাইন্সটি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা তাদের ফ্লাইট সূচি পর্যালোচনা করবে।
গত কয়েক দশকে নাসকা লাইনসের ওপর এটিই প্রথম বিমান দুর্ঘটনা নয়। ২০২২ সালে একই এলাকায় আরেকটি পর্যটকবাহী ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে সাতজন নিহত হয়েছিলেন। এর আগে ২০১০ সালেও একটি পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি